Saturday , December 10 2016
সদ্য প্রাপ্ত
Home / জাতীয় / ১৯৬৫ – প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ইতিহাস
প্রকাশঃ 30 Sep, 2016, Friday 8:50 PM || অনলাইন সংস্করণ
bd-projonmo

১৯৬৫ – প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ইতিহাস

প্রজন্ম ডেস্কঃ সোহরোওয়ারদির আকস্মিক মৃত্যুতে পাকিস্তানের রাজনীতিতে স্থবিরতা নেমে আসে । দুই পাকিস্তানের প্রায় সব রাজনীতিবিদ এক হয়েছিলেন সোহরোওয়ারদির নেতৃত্বাধীন এন ডি এফের পতাকাতলে । কিন্তু মহান নেতার মৃত্যুর সাথে সাথে এই ঐক্যের অবসান ঘটে । শেখ মুজিবর রহমান – মওলানা আব্দুর রসীদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাপসহ অন্যান্য দল পুনরুজ্জীবিত হয় । কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতৃত্বের একটি অংশ এই পুনরুজ্জীবনকে সমর্থন করেন নি । তাই আবুল মনসুর আহমেদ , আতাউর রহমান খানসহ সোহরোওয়ারদিপন্থীদের একটি অংশ আওয়ামী লীগের বাইরে রয়ে যান । মূলত এর পর থেকেই শেখ মুজিবর রহমানই হয়ে যান আওয়ামী লীগের মুল প্রাণ ।

এদিকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল ১৯৬৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে । সরকারি দলের প্রার্থী অবশ্যই প্রেসিডেন্ট আয়ুব খান । বেঁচে থাকলে অবশ্যই সোহরোওয়ারদি হতেন বিরোধী দলের অবিসংবাদী প্রার্থী । তাঁর অবর্তমানে সম্মিলিত বিরোধীদল কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র সহোদরা মিসেস ফাতেমা জিন্নাহকে প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করান । সম্মিলিত বিরোধীদলের এই ঐক্যকে মানুষ ব্যাপক সাড়া দেয় । মিসেস ফাতেমা জিন্নাহ চট্টগ্রাম থেকে চিত্রল পর্যন্ত সমগ্র পাকিস্তান সফর করেন । নির্বাচনী সভাগুলোতে অসংখ্য মানুষ তাঁকে সমর্থন জানায় । মানুষ আবার আশার আলো দেখে ।

কিন্তু আসল সমস্যা অন্য জায়গায় – নির্বাচনে ভোট দেবে সাধারন মানুষ নয় – ৮০,০০০ বিডি মেম্বার । আর তাই ফলাফল যা হবার তাই হল – সরকারীদলের ব্যাপক অনৈতিক প্রভাব , অর্থ-প্রতিপত্তির ফলশ্রুতিতে ৬৪% ভোট পেয়ে ১৯৬৫ সালের জানুয়ারি মাসের ২ তারিখে আয়ুব খান প্রেসিডেন্ট “নির্বাচিত” হলেন ।

লাহোরের একটি ভোটকেন্দ্রের অবস্থা ছিল এরকম – দুই জন পুলিশ অফিসার একটি বন্ধ গাড়িতে কতগুলি ভোটার (বি ডি মেম্বার) এনে উপস্থিত করলেন । দরজা খুলে এক একজন করে বের করলেন । বলে দিলেন, ভোট দিয়ে ফিরে এস । কিছুক্ষণ পর তারা এক এক করে গাড়িতে ঢুকলেন । অফিসার গুনে দেখলেন । তারপর গাড়ি ছেড়ে দিল । ঠিক জেলখানার কয়েদীদের গাড়ির মত ।

তবে এই নির্বাচনে মাওলানা ভাসানীর ভুমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ । বাহ্যিকভাবে সম্মিলিত বিরোধীদল তথা মিসেস ফাতেমা জিন্নাহকে সমর্থন করলেও ভাসানী ও তাঁর ন্যাপদল নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয় ভুমিকা পালন করেন । অনেকে বলেন মূলত ভারত বিরোধী ও চীনপন্থী হবার কারণে মাওলানা ভাসানী “ডোন্ট ডিস্টার্ব আয়ুব” নীতি পালন করেন ।

1965 – Presidential Election

After the sudden death of Suhrawardi Pakistan’s politics comes down to a stalemate. Almost all of the Politicians were united under the umbrella of NDF with the great leadership of Suhrawardi. But this unity came to an end with the death of the great leader. So all political parties revived under their own name. Awami League revived under the leadership of Sheikh Mujibur Rahman and Mawlana Abdur Rashid Tarkabagish, similarly NAP revived under the leadership of Mawlana Bhashani. But a portion of the senior leadership of Awami League did not support this revival. So, a number of Suhrawardi followers including Abul Mansur Ahmed and Ataur Rahman Khan stayed away from the new Awami League. Mainly after this, Sheikh Mujibur Rahman became the spirit of the Awami League.

Meanwhile it was already declared that the Presidential Elections would be held in January of 1965. Of course incumbent President Ayub Khan was the candidate of the ruling Convention Muslim League (CML). If Suhrawardi were alive, he would undoubtedly be the candidate of Combined Opposition Party. In his absence, the opposition leaders chose Mrs. Fatema Jinnah, sister of “Quaid-e-Azam” Muhammad Ali Jinnah, as their candidate. The unity among the opposition parties brought widespread enthusiasm among the people. Mrs. Fatima Jinnah traveled all over Pakistan, from Chittagong to Chitral. All of her campaign meetings were attended by thousands of enthusiastic people. People became hopeful again.

But the real problem lies elsewhere – not ordinary people to vote in the elections – some 80,000 BD members were to vote! And so the result is what many people already speculated – due to the immoral influence and bribery of the Government machinery, Ayub Khan is “Elected” as the President of Pakistan on January 2nd 1965, by 64% vote!!

This was the situation in a polling station in Lahore – two police officers came in a car with few voters (i.e. B.D. members) — opened the door and took out one by one. The Officers say, come back after voting. After a while, the voters went inside the car one by one car. And then they leave. Just like a prison vehicle.

However, the role of Mawlana Bhashani was also questionable. Even though he supported Mrs. Fatima Jinnah officially, but he himself and his party NAP had an inactive role during the Elections. Many say since Bhashani was anti India and pro-China, so he maintained “Don’t Disturb Ayub” policy.

Check Also

human-rights-770x470

আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস

প্রজন্ম ডেস্ক: জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সব দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয় বিশ্ব মানবাধিকার ...