Saturday , December 3 2016
সদ্য প্রাপ্ত
Home / সারা বাংলা / খুলনা বিভাগ / মাগুরা সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের সাথে সেবিকার হাতাহাতি
প্রকাশঃ 25 Oct, 2016, Tuesday 5:12 PM || অনলাইন সংস্করণ
Magura

মাগুরা সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের সাথে সেবিকার হাতাহাতি

মোঃ কাসেমুর রহমান শ্রাবণ, মাগুরা প্রতিনিধি: এক মুমুর্ষ রোগীকে চিকিৎসা সেবা না দেয়ার অভিযোগে মাগুরা সদর হাসপাতালে সোমবার রাতে রুগীর স্বজনদের সাথে এক সেবিকার হাতাহাতি হয়েছে। মাগুরা জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ও মাগুরা জজ আদালতের আইনজীবী শাখারুল ইসলাম শাকিলের মা আরিয়া বেগমকে (৭০) নিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে ।

এ বিষয়ে এড. শাখারুল ইসলাম শাকিল অভিযোগ করেন, সোমবার রাতে তার মা আরিয়া বেগম গুরূতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে যান। জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ব্যবস্থা পত্র দিয়ে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করতে বলেন। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি তার মাকে সদর হাসপাতালের একটি কেবিনে ভর্তি করেন ও জরুরী বিভাগের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ দেয়ার জন্য দায়িত্বরত সেবিকা পারুল গাইনকে বলেন। কিন্তু সেবিকা তার কথায় কর্ণপাত না করে অহেতুক বিলম্ব করতে থাকেন। এ সময় তিনি তাকে আবার তাগাদা দিলে সেবিকা পারুল এ্যাড. শাখারুল ইসলাম শাকিলকে বলেন, ‘এখন যেতে পারবো না। কাজ আছে। বাইরে থেকে ঐষধ কিনে এনে নিজে খাওয়ান, আমি পরে আসছি। সেবিকার কথায় উত্তেজিত হয়ে এ সময় এড. শাখারুল ইসলাম শাকিলের সাথে থাকা স্বজনরা বিষয়টি নিয়ে সেবিকার সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িযে পড়ে ও সামান্য হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এটিকে পুজি করে তার মার মুমুর্ষু থাকা অবস্থায়ও সেবিকারা তাকে চিকিৎসা সেবা দেয়নি। এক পর্যায়ে উত্তেজনার খবর পেয়ে সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার ডাক্তার রোকনুজ্জামান ও দেবাশিষ বিশ^াস সেখানে এসে তার মাকে চিকিৎসা দেন। এ্যাড. শাকিল আরো অভিযোগ করেন, চিকিৎসায় বিলম্ব হওয়ায় তার মায়ের অবস্থার ক্রম অবনতি হচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে মাথায় সিটি স্ক্যান করতে তাকে সকালেই যশোর পাঠানো হয়েছে।

এদিকে এ বিষয়ে অভিযুক্ত সেবিকা পারুল গাইন বলেন, ‘আমার হাতে কাজ থাকায় যেতে বিলম্ব হচ্ছিল। কিন্তু রোগীর স্বজনরা সেটি না বুঝেই তারা আমার সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িযে পড়ে ও আমার গায়ে হাত তোলেন। আমরা এটির প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে ৩ ঘন্টা কর্ম বিরতি পালন করেছি ও সিভিল সার্জনের নিকট অভিযোগ দিয়েছি’।

মাগুরা সিভিল সার্জন এবিএম আব্দুল লতিফ বলেন, ‘কর্ম বিরতির কোন খবর আমার জানা নেই। ওই রোগীকে ওষুষ না দেয়ার অভিযোগ ও সোমবার রাতের ঘটনা শুনেছি। বিষয়টির তদন্ত চলছে’। .

Check Also

jessore

গার্ড অব অনার সম্মাননা দিয়ে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যর লাশ দাফন

শাওন চৌধুরী, যশোর প্রতিনিধিঃ যশোর জেলার নুরপুর গ্রামের বাসিন্দা সাত সন্তানের জননী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ...