Saturday , December 10 2016
সদ্য প্রাপ্ত
Home / সারা বাংলা / খুলনা বিভাগ / ঝিনাইদহে শীতের আগমনে চলছে লেপ সেলাইর মহা উৎসব কর্মীরা মহাব্যস্ত!
প্রকাশঃ 13 Nov, 2016, Sunday 7:28 PM || অনলাইন সংস্করণ
kotchandpur

ঝিনাইদহে শীতের আগমনে চলছে লেপ সেলাইর মহা উৎসব কর্মীরা মহাব্যস্ত!

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ শীতের আগমন। তাই বসে নেই লেপ সেলাই কর্মিরা ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে চলছে লেপ সেলাইর মহা উৎসব। শীত মৌসুম এলেই অন্তত ৪টি মাস তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক গুন বেশী। তাই তারা অন্য সময়ের রোজগার পুশিয়ে নিতে এ ৪টি মাস কাজ করেন সমান তালে।

বাকী ৮ মাস এ কাজের চাহিদা না থাকায় লেপ সেলাই কর্মিরা অন্য কাজে মনোনিবেশ করে। কেউ নেমে পড়ে রিক্সা ভ্যান চালাতে, কেউ মাঠে দিন মুজুরের কাজ নেয়, আবার কেউ কেউ তাদের সুবিধামত বেছে নেয় অন্য পেশা। রবিবার কথা হয় কোটচাঁদপুর পৌর শহরের দুধসরা গ্রামের লেপ ও যাজিম ব্যবসায়ী জিনারুল ইসলামের সাথে।

জিনারুল ইসলাম বলেন, বছরের অন্যান্য সময় মাসে ২/৪ জন যাজিম কিনতে আসলেও লেপের চাহিদা একে বারেই থাকেনা। শীতের শুরু থেকে অন্তত ৪টি মাস লেপ ও যাজিম বেশী বিক্রি হয়ে থাকে। সব থেকে বেশী বিক্রি হয়ে থাকে লেপ। যে কারণে চাহিদার কথা মাথায় রেখে লেপ সিলাই কর্মিদের সংখ্যাও বাড়াতে হয় কয়েক গুন।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আমার এখানে ২০ জনের উপরে লেপ সেলাইয়ের কর্মি রয়েছে। অন্য সময় এ ব্যবসা ধরে রাখতে মাত্র ২/৩ জন লেপ ও যাজিম সেলাইয়ের কাজ করে থাকে। শীত মৌসুম শেষ হলেই এখানে কাজ না থাকায় বাকি লেপ সেলাই কর্মিরা অন্য পেশায় চলে যায়।

এখানে পাইকারী দামে হকারদের কাছে রেডিমেট লেপ ও যাজিম বিক্রি করা হয়। হকাররা ইঞ্জিন চালিত আলমসাধুতে লেপ যাজিম সাজিয়ে নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে সাড়ে ৬ থেকে ৭শ’ টাকা দরে প্রতিটি লেপ ও ৯শ’ থেকে হাজার টাকায় যাজিম বিক্রি করে। পাশাপাশি এখানে ভাল লেপ তৈরীর অর্ডারও নেয়া হয়। সে ক্ষেত্রে লেপ অনুযায়ী দাম ১ হাজার থেকে ১৩শ’ টাকা পড়ে। পাশের লেপ ও যাজিম ব্যবসায় আবুল বাসারও অভিন্ন কথা বলেন।

সেলাই কর্মি গরিব উল্লা বলেন, প্রতিদিন তিনি পাঁচ থেকে ছয়টি লেপ সেলাই করে থাকেন। লেপ অনুযায়ী প্রতিটি লেপে তিনি মুজুরী পান ৮০ থেকে ১শ’ টাকা। আমরা সেলাই কর্মিরা সবাই একই নিয়মে মুজুরী পেয়ে থাকি।

অপর সেলাই কর্মি জাকির হোসেন বলেন, সেলাই কাজ করলে অন্তত ৪টি মাস কোথাও কাজের জন্য ধর্ণা দিতে হয় না। ছায়ায় বসে সেলাইয়ের কাজ করতে বেশ ভালই লাগে। দিন শেষে চার থেকে পাঁচ শত টাকা রোজগার হয়। শীত মৌসুম শেষে অন্য কাজে গেলে প্রতিদিন গড় রোজগার ২শ টাকা করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।

তাই সংসার চালানো কঠিন হয়ে যায়। যে কারণে এ মৌসুমে রোজগার অনেকটা পুশিয়ে নিতে আমরা ৪মাস লেপ সেলাইয়ের কাজ করে থাকি।

Check Also

untitled-1

মাগুরায় বেগম রোকেয়া দিবসে ৯ জয়িতাকে সম্মাননা

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় র‌্যালী, আলোচনা ও ৯ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদানের মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার বাংলার ...