Saturday , December 10 2016
সদ্য প্রাপ্ত
Home / Slider / গৌরনদীর ভাতাপ্রাপ্ত পাঁচ মুক্তিযোদ্ধাকে হয়রানির অভিযোগ
প্রকাশঃ 14 Oct, 2016, Friday 6:49 PM || অনলাইন সংস্করণ
166

গৌরনদীর ভাতাপ্রাপ্ত পাঁচ মুক্তিযোদ্ধাকে হয়রানির অভিযোগ

কল্যান কুমার চন্দ, বরিশাল প্রতিনিধি: মোটা অংকের টাকা উৎকোচ না দেয়ায় গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের ভাতাপ্রাপ্ত পাঁচ মুক্তিযোদ্ধাকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানিসহ গেজেট বাতিল ও মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।এনিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির রির্পোটকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে না পেরে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন একটি মহল।

সরিকল ইউনিয়নের শাহাজিরা গ্রামের ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান খান, মোবারেক হোসেন হাওলাদার, দক্ষিণ সাকোকাঠী গ্রামের মোতালেব শিকদার, তাজেম আলী চৌকিদার ও আব্দুল খালেক মোল্ল অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা এম.এ হক বীর বিক্রম দীর্ঘদিন থেকে নিজের প্রভাব বিস্তারের জন্য আমাদের কাছে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ দাবি করে আসছিলো। তার দাবিকৃত টাকা না দেয়ায় চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি এম.এ হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন খানকে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর বরাবরে আমাদের ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা আখ্যায়িত করে একটি আবেদন করেন।

ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে গত ৭ মার্চ বরিশাল জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসক গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দিলে তিনি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠণ করেন। কমিটির সদস্যরা হলেন, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা এস.এম ফরিদ উদ্দিন ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মোঃ মনিরুল হক।

উল্লেখিত পাঁচ মুক্তিযোদ্ধা আরও বলেন, তদন্ত কমিটি তাদের ও অভিযোগকারীসহ তার ছয়জন স্বাক্ষীকে নিয়ে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে স্বাক্ষ্য দেয়ার জন্য গত ৯ অক্টোবর উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ে তদন্তের তারিখ ধার্য্য করেন। ওইদিন অভিযোগকারী সোহরাব হোসেন খান তার মদদদাতা এম.এ হক ছাড়া অন্যকোন স্বাক্ষীকে হাজির করতে পারেননি। তারা আরও অভিযোগ করেন, অভিযোগকারীর পক্ষে ভাতাপ্রাপ্ত ৫ মুক্তিযোদ্ধাকে ভূয়া আখ্যয়িত করে তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের জন্য বীর বিক্রম এম.এ হক পেশী শক্তি প্রদর্শন করে তদন্ত কমিটির নেতৃবৃন্দদের চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে সে (এম.এ হক) বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ সরকারি কর্মকর্তাদের চাকুরি খোয়ানোরও হুমকি প্রদর্শন করেন।
এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মোঃ মনিরুল হক বলেন, অভিযুক্ত পাঁচ মুক্তিযোদ্ধা তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সহযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হয়ে স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

Check Also

human-rights-770x470

আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস

প্রজন্ম ডেস্ক: জাতিসংঘের নির্দেশনায় বিশ্বের সব দেশে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর পালিত হয় বিশ্ব মানবাধিকার ...