Thursday , December 8 2016
Home / সারা বাংলা / খুলনা বিভাগ / খুলনা জেলার বটিয়াঘাটায় বিদেশে চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ
প্রকাশঃ 16 Oct, 2016, Sunday 4:22 PM || অনলাইন সংস্করণ
taka

খুলনা জেলার বটিয়াঘাটায় বিদেশে চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ

মহিদুল ইসলাম (শাহীন), বটিয়াঘাটা (খুলনা):  বিদেশে চাকুরী দেওয়ার নামে ২ লক্ষ, ৬০ হাজার টাকা প্রতারণা করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মোঃ আশরাফুল ইসলাম শেখ, পিং-মৃত রাহাতুল্লা শেখ, সাং-মহেশ্বরপাশা (কার্তিককুল), থানা-দৌলতপুর, জেলা-খুলনা একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। তিনি একজন সহজ সরল ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। তার ব্যবসাটি অর্থাভাবে বন্দ হওয়ায় সে দীর্ঘ দিন বেকার জীবন যাপন করছে। ইতিমধ্যে হাবিবুর রহমান ফকির, আব্দুল জলিল ফকির, পিং-মোঃ ইনছার ফকির ও জুতা ব্যবসায়ী মোস্তফা, সর্ব সাং-বারোআড়িয়া, উপজেলা-বটিয়াঘাটা, জেলা-খুলনা দের সাথে তার তার পরিচয় হয়। তার দুরবস্থার কথা শুনে দুবাই প্রবাসী হাবিবুর রহমান ফকির তাকে বলে আমি দুবাইতে চাকুরী করি। তুমি ইচ্ছা করিলে আমার সঙ্গে দুবাইতে চাকুরী করিতে পারো। তোমার মোট খরচ হবে ২ লক্ষ, ৬০ হাজার টাকা। সে তাহার কথায় রাজি হইয়া ৪/৫ দিন পর তার গ্রামের বাড়ী বারআড়িয়ায় বসে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করে। পরবর্তী ৩ মাস পরে দুবাই প্রবাসী হাবিবুর রহমান ফকির এর বাড়ীতে বসে আব্দুল জলিল ফকির ও জুতা ব্যবসায়ী মোস্তফা সহ এলাকার বেশ কয়েক জনের উপস্থিতিতে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা প্রদান করে। তার কথামত সকল কাগজপত্র তৈরী করে গত ১২/০৭/১২ তারিখ দুবাই যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিমান বন্দরে হাজির হয়। বিমান বন্দরে প্রতারক হাবিবুর রহমান ফকির ফেনি জেলার জনৈক সেলিম নামের এক প্রতারকের কাছে তাকে রেখে কৌশলে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পরে উল্লেখিত সেলিমও তাকে ফেলে চলে যায়। এ বিষয়ে গত সপ্তাহে আশরাফুল রহমান বাদী হয়ে উপরোক্ত ৩ জনকে বিবাদী করে বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত হাবিবুর রহমান ফকির এমন ঘটনা এলাকার অনেকের সাথে ঘটিয়েছে। তিনি বারোআড়িয়া বাজারের মন্দিরের সামনে সরকারী পেরিফেরী জায়গায় অবৈধ ভাবে পাকা ইমারত নির্মাণ করেছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান তিনি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে বিদেশে যাওয়ার কথা বলে সহজসরল লোকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এমনকি তিনি এলাকায় বেশি চাপাচাপি দেখলে দেশে এসে তার শশুরবাড়ী কপিলমুনি এসে অবস্থান করেন। তার সাথে অত্র এলাকার বেশ কয়েকজন নামকরা দালালদের সখ্যতা রয়েছে। এ বিষয়ে দুবাই প্রবাসী হাবিবুর রহমান ফকির এর সহিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তার স্ত্রী ফোনটি রিসিভ করেন এবং সকল অভিযোগের বিষয়ে তিনি মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেন। সার্বিক বিষয়ে বটিয়াঘাটা থানার ওসি মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, এ ধরণের কোন প্রতারকের বিরুদ্ধে আমার কাছে অভিযোগ করলে আমি কঠিন ব্যবস্থা গ্রহন করব। বিদেশে চাকুরী দেওয়ার নামে গ্রামের সহজ সরল লোকদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্যে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে এলাকাবাসী।

Check Also

jessore-jail

কারাগার থেকে বের হওয়া মাত্র নিখোজ, পুলিশ জিডি গ্রহন করছে না!

শাওন, যশোর প্রতিনিধি: যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে থেকে সুমন ওরফে চিকিসুমন নামে এক যুবক নিখোজ ...